ভোটের জন্য সবকিছু উন্মুক্ত



আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বিএনপির বোঝা উচিত এদেশের মানুষ হরতাল-অবরোধ চায় না। এদেশের মানুষ নির্বাচন চায়, ভোট দিতে চায়। ভোটের জন্য সবকিছু উন্মুক্ত করে দেয়া হয়েছে এবং আমাদের দলকেও। সবাই দাঁড়াবে, সবাই কাজ করবে। জনগণ যাকে বেছে নেবে সেটাই হবে।

বুধবার (২০ ডিসেম্বর) সিলেটে হযরত শাহজালাল (র.) এর মাজার জিয়ারত শেষে এসব কথা বলেন তিনি।

আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, আমার বার্তা একটাই, দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফোটানো। যে স্বপ্নটা আমার বাবা দেখেছেন সেটাই করতে চাই। আর নির্বাচনী প্রচারকাজ শুরু করার জন্য এখানে এসেছি। আমার একটাই কথা, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকলে দেশের মানুষের কল্যাণ হয়।

তিনি বলেন, ৭ জানুয়ারি নির্বাচনে জয়ী হয়ে আওয়ামী লীগ আবার ক্ষমতায় আসলে, দেশের মানুষের সব চাহিদা পূরণ করা হবে। কেউ গৃহহীন থাকবে না, কারো দুঃখ থাকবে না। আমার বার্তা একটাই, দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফোটানো। আমার একটাই কথা, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকলে দেশের মানুষের কল্যাণ হয় উন্নতি হয়।

আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, এদেশের মানুষ হরতাল-অবরোধ চায় না, তারা ৭ জানুয়ারিতে ভোট  দিতে চায়। নির্বাচন ঠেকাতে বিএনপি-জামায়াত জঙ্গিবাদি কাজ করে যাচ্ছে। ২০০৯ সালে সরকার গঠন করেছিলাম, ১৪ এবং ১৮ সালে আমাদের ভোট দিয়ে  জনগণ নির্বাচিত করেছে বলে দেশের উন্নয়ন হয়েছে। আজকে এই যে আমি সিলেটে এসেছি, এখানে কিন্তু ভূমিহীন ও গৃহহীন মানুষ নেই। প্রত্যেক ভূমিহীন ও গৃহহীন মানুষদের আমরা ঘর করে দিতে পেরেছি। অর্থাৎ মানুষের মৌলিক চাহিদাগুলো পূরণ করে যাচ্ছি।

তিনি আরও বলেন, যে কাজগুলো বাকি আছে, আগামীতে ৭ জানুয়ারি নির্বাচন। বাংলাদেশের জনগণ যদি ভোট দেয়, আবার সরকার গঠন করতে পারি, তাহলে উন্নত সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়বো। কোনো মানুষ ঠিকানাবিহীন থাকবে না। এটাই আমাদের নিয়ত। দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফোটানো আর সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়াই আমাদের লক্ষ্য।

তিনি আরও বলেন, এরইমধ্যে উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা পেয়েছি, কিন্তু সেটাকে কার্যকর করতে হবে। আমি জানি, আমাদের সরকার আসলেই এটা কার্যকর হবে।

শেখ হাসিনা বলেন, যারা নির্বাচন করবে না, করবে না কিন্তু আগুন দিয়ে মানুষ পুড়িয়ে মারা, সরকারি সম্পত্তি নষ্ট করা এগুলো সম্পন্ন সন্ত্রাসী কাজ, জঙ্গিবাদি কাজ। আর সেই সন্ত্রাসী ও জঙ্গিবাদি কাজ করে যাচ্ছে বিএনপি-জামায়াত জোট। বিএনপির একটাই কাজ মানুষ পুড়িয়ে হত্যা করা। আমরা ১৩ ও ১৪ সালে দেখেছি আন্দোলন করার নামে মানুষ পুড়িয়ে মারা দৃশ্য। এটা তাদের কোন ধরনের আন্দোলন?  গতকাল তারা যে হরতাল দিয়েছিল, মানুষ তো এই হরতাল মানেনি, তাদের ডাকা সাড়া দেয়নি। এটা থেকে তাদের বোঝা উচিত এদেশের মানুষ নির্বাচন চায়, ভোট দিতে চায়। ভোটের জন্য সবকিছু উন্মুক্ত করে দেয়া হয়েছে; আমাদের দলকেও। সবাই দাঁড়াবে, সবাই কাজ করবে। জনগণ যাকে বেছে নেবে সেটাই হবে।   

মাজার জিয়ারত পর্ব সেরে বিকেল ৩টায় মহানগরীর ঐতিহাসিক সরকারি আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে অতীতের মতোই নির্বাচনী জনসভায় যোগ দেবেন বঙ্গবন্ধু কন্যা৷ নৌকার আদল থাকলেও নির্বাচনী বিধি মেনে প্রস্তুত করা হয়েছে সাদামাটা মঞ্চ৷ চিরাচরিত রঙিন ব্যানারের বদলে সাজসজ্জা হয়েছে সাদাকালোয়৷

About results.blogspot.com

This is a short description in the author block about the author. You edit it by entering text in the "Biographical Info" field in the user admin panel.

0 coment rios :